
কুফরি যাদুর মাধ্যমে প্রায় সকল ক্ষতি সম্ভব। অসুস্থ বানানো, বাধ্য রাখা, পাগল করা, রিজিক নষ্ট করা বা সম্পর্ক ভেঙ্গে দেওয়া সম্ভব।
সাহাবায়ে কেরামগণ শুধুমাত্র ওষুধের ওপর নির্ভর করতেন না, তারা আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে কুরআন সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা গ্রহণ করতেন।





সব ঠিক আছে… কিন্তু বিয়ে হচ্ছে না। অথবা বিয়ে হয়েছে— কিন্তু শান্তি নেই।
চেষ্টা করেন… কিন্তু উন্নতি হয় না। টাকা আসে, কিন্তু টেকে না।
দুশ্চিন্তা থামে না। ঘুমে সমস্যা। বুক ধড়ফড়। অযথা সন্দেহ।
মনে হয় কেউ ‘কিছু করেছে’— কারণ জীবনে হঠাৎ করে সব উল্টে যাচ্ছে বা থেমে আছে।
বিশেষ করে ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে মা-বাবারা বদনজরের ভয় পান।
অবশ্যই আছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কুরআনে বলেছেন- কাল্লা ইজা বালাগাতি তরাকি, ওয়া কিলা মান রাক্ক। যখন তোমার প্রাণটা কণ্ঠাগত হয়ে যাবে, তখন তোমাকে কে রুকিয়াহ করে ভালো করবে?


তবে সবার পক্ষে রুকিয়াহ করা সহজ না কারণ:
হালাল এডিবল কালি ব্যবহার করে ছাপানো রুকিয়াহ পেপার, যা শরীরের জন্য নিরাপদ। যা আপনি ঘরে বসে সহজেই আমাদের দাওয়া গাইড ফলো করে করতে পারবেন।
অনেকে “রুকিয়াহ পেপার” নামে সাধারণ প্রিন্টিং কাগজ ও ক্ষতিকর কালি ব্যবহার করে, সেগুলো থেকে বিরত থাকুন...
আমাদের হাদিয়া মাত্র ৳ ১০০১ টাকা
আপনিও চাইলে আল্লাহর প্রতি ভরসা রেখে এই রমজানে রুকিয়াহ করতে পারেন।
আমি কাউকে বলিনি। কারণ বিষয়টা বললে মানুষ হাসবে।
(আমার পরিচয়টা গোপন থাকবে)

তোমার তো কিছুই হয়নি।
আমার অনুভব হতো,
মনের গভীরে ফীল হতো, কিছু একটা ঠিক নেই।
সবকিছু যেন ঠিক, কিন্তু কিছুই ঠিক নেই। ভেতরে কেমন একটা ভয় আর সন্দেহ অনুভব করছিলাম…
“লাইক যদি এটা স্পিরিচুয়াল কিছু হয়?”

কিছু সমস্যা অধ্যাত্বিক ভাবেও হতে পারে। খামখেয়ালি করা ঠিক হবে না।
আমি প্রথমে গুরুত্ব দিইনি,
ধুর, আমি এগুলো বিস্বাস করতাম না।
কিন্তু যখন রকমারি ইউটুব চ্যানেলে...
এক রাকীর (যে ব্যাক্তি আরেকজনের রুকিয়া করে দেয়) কিছু ভিডিও দেখলাম
আমার সমস্যা হয়তো শারীরিক না
কিন্তু আমার ধর্ম কি বলে?
কুরআনে আল্লাহ বলেন:
“আমি কুরআনে এমন কিছু নাযিল করেছি যা মুমিনদের জন্য শিফা।”
রাসূল (সা.) নিজে রুকইয়া করেছেন।
জিবরাইল (আ.) এসে রুকইয়া করেছেন।
সাহাবারা রুকইয়া করেছেন।
এটা নতুন কিছু না।
এটা বিদআত না।
এটা ব্যবসা না।
এটা সুন্নাহ।

সমস্যা যদি আধ্যাত্মিক হয়
সমাধানও আধ্যাত্মিক হতে হবে।
কিন্তু এখানেই আরেক বিপদ।
বাংলাদেশে “রুকইয়া” নামেই যত প্রতারণা হয়!
আমি সিদ্ধান্ত নিলাম...
আমি শিরক করবো না।
আমি কবিরাজের কাছে যাবো না।
আমি শুধু কুরআন এবং সহিহ পদ্ধতি অনুসরণ করবো।
রুকইয়া জানি না।
কী পড়বো?
কতক্ষণ পড়বো?
কীভাবে ব্যবহার করবো?
কতদিন করবো?
ইউটিউবে এক কথা।
আরেক আলেম আরেক কথা।
আমি তো পুরাই বিভ্রান্ত।
তারপর...

অনেক ঘাটাঘাটি করলাম
যা আমার ধারণা বদলে দিল।
রুকইয়া আসলে জটিল কিছু না।
এটা Structured
এটা Disciplined
এটা ধারাবাহিকতা
এবং কুরআনের নির্দিষ্ট কিছু সূরা এবং আয়াত শিফার জন্যে ব্যবহার করা।
আর এখানেই আমি প্রথম
“রুকইয়া পেপার” সম্পর্কে জানি।
এটা কোনো তাবিজ না।
এটা কোনো জাদু না।
এটা কুরআনের নির্দিষ্ট তেত্রিশ আয়াত
প্রিন্টেড ফরম্যাটে তৈরি
যা ব্যবহার করা হয় রুকইয়া প্রসেসে।
কোনো শিরক না।
কোনো গোপন মন্ত্র না।
কোনো অদ্ভুত আমল না।
শুধু পবিত্র কুরআন।

আমি নিজেই সেলফ রুকিয়া করবো।
কারণ রুকাইয়া সেন্টারে যাওয়ার
ইচ্ছে + টাকা দুইয়েরই অভাব ছিল।
প্রিয় নবী (সাঃ), নিজের রুকিয়া নিজেই করতেন,
তিনি খুব বেশি অসুস্থ থাকলে আয়শা (রাঃ) তার রুকিয়া করে দিতেন।
সেলফ রুকিয়া করাই উত্তম।
এটাই আমার সিদ্ধান্ত,
তারপর যা হয় দেখা যাবে।
কিন্তু কিভাবে?
কিছুদিন পরে হটাৎ
রুকইয়া নিয়ে খোঁজাখুঁজি করতে করতে
ফেসবুকে রুকইয়া পাপেরের একটা এড চোখে পড়লো
তাদের হাদিয়া রুকিয়া সেন্টারের মতন
হাজার হাজার টাকা না।
পরেরদিন এক ভাই কল করে আমায় জানান যে...
আপনাকে ১০ রুকইয়া পেপার এবং
সঠিক ভাবে রুকইয়া করার জন্যে
একটা সেলফ রুকইয়া গাইড দাওয়া হবে
যা ফলো করে আপনি নিজেই
সেলফ রুকইয়া করতে পারবেন,
সকল নিয়ম, সূরা, আয়ত এই গাইডে,
আরবি, বাংলা উচ্চারণ এবং বাংলা অর্থ সহ দাওয়া থাকবে।
আপনি শুধু সঠিক নিয়ম ফলো করার চেষ্টা করবেন এবং পবিত্র থাকার চেষ্টা করবেন।
সত্যি বলতে...
আমি এমন কিছুই মনে মনে চাইতেছিলাম।
আমাকে আরও বললো (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)
রুকইয়ার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো
মানুষ শুরু করে…
কেউ ২ দিন করে থেমে যায়
কেউ ৫ দিন করে থেমে যায়
কেউ ১ সপ্তাহ করে থেমে যায়
ধারাবাহিকতা ছাড়া কোনো সমাধানই কাজ করে না
সেটা মেডিসিন হউক আর আধ্যাতিক হউক।
তাই মিনিমাম ১০টা দিন ধারাবাহিক ভাবে
১০টি রুকইয়া পেপার ব্যবহার করবেন। (মিনিমাম)

মাগরিবের আজানের আগে
(ওই সময় দুয়া বেশি কবুল হয়)
আমি এটা ১০ দিনের একটা নিয়ম করে ফেলেছিলাম।

না, সিনেমার মতো ঘটনা ঘটেনি। তবে:

যা আপনাদের লিখে বিরক্ত করতে চাই না,
এবং পরিচয়টা গোপন রাখতে চাই
তবে এতটুকু বলবো:

আমাদের প্রিয় সকল আলেম বারবার বলেছেন, বদনজর সত্য, জাদু সত্য, রুকইয়া সত্য।
বদনজর এবং প্রতিহিংসা ছিল আর
আমি যা শিখলাম এই ধরনের সমস্যার পিছনে
সাধারণত ৩টা কারণ থাকে:
ইসলাম এগুলো অস্বীকার করে না।
বরং ইসলাম এগুলোর সমাধানও দিয়েছে।
কিন্তু মানুষ সমাধানটা কঠিন করে?
যখন তারা কবিরাজের কাছে যায়।

তারা আপনার রোগ ঠিক করে না।
তারা আপনাকে...
আমি নিজে কখনোই সে পথে যাইনি
আমি চেয়েছিলাম...
একটা শরঈ, নিরাপদ, সোজা পদ্ধতি।
যা কোরানী রুকইয়া পেপার এবং
গাইডের মাধ্যমে সফল হয়েছে।

এটা কোনো তাবিজ না।
এটা কোনো গোপন জিনিস না।
এটা হলো...

বাজারে অনেকে “রুকইয়া” নামে যা দেয়…
তার মধ্যে থাকে:
কোরানী রুকইয়া পেপারে তা নেই।
কারণ কোরানী শপের লক্ষ্য “বিক্রি” না
আপনাকে এমন একটা মাধ্যম দেওয়া
যাতে আপনি নিজেই
রুকইয়া করতে পারেন শরঈভাবে,
আত্মবিস্বাসের সাথে।
এখন খুব বাস্তব একটা কথা বলি
তাহলে আপনারও ভেতরে কষ্ট বা সন্দেহ আছে।
যা হয়তো আপনি কাউকে বলতেও পারেন না বা চান না।
কিন্তু আপনি জানেন, কিছু একটা আপনাকে,
আপনার কাজে, আপনার সংসারে বা শারীরিক ভাবে বাধাগ্রস্থ করছে।

হিসাবে রুকইয়া করতে দিবে

রমাদান হলো...
রমাদানে শুরু করলে
ফোকাস এবং নিয়ম ধরে রাখা সহজ হয়।
আপনি যদি এখন এই সময়টা কাজে লাগান
এটা আপনার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী সুযোগ হতে পারে।
এটা ভয় দেখানো কোনো পেজ না।
এটা হলো...
একটা বাস্তব সমস্যা
এবং ইসলামসম্মত সমাধানের দিকে
একটা নিরাপদ পথ।
শিফা আল্লাহর পক্ষ থেকে।
আমরা শুধু মাধ্যম।
যদি মনে হয় এখনই শুরু করা দরকার,
শান্তভাবে বিস্বাসের সাথে অর্ডার করুন,
হাতে পেয়ে হাদিয়া দিবেন।















